Friday, 28 August 2015

বাঙ্গালীর যৌনজীবন - হুমায়ুন আজাদ

বাঙালির যৌনজীবনে বিজ্ঞান নেই, কলাও নেই; রয়েছে পাশবিকতা। বাঙালির যৌবন অতিবাহিত হয় অবদমিত যৌন কামনা বাসনায়, যার ফল বিকৃতি। ধর্ষণ বাঙলায় প্রাত্যহিক ঘটনা, বাঙালিকে ধর্ষণকারী জাতিও বলা যায়। এর মূলে রয়েছে সুস্থ যৌনজীবনের অভাব। পশ্চিমে যে-বয়সে তরুণ-তরুণীরা ঘনিষ্ট হয়, সুখ আহরণ করে, সে-বয়সটা বাঙালির কাটে প্রচন্ড যন্ত্রণায়।
... বাঙালির যৌবনমাত্রই ব্যর্থ, ও যন্ত্রণাপীড়িত। সুস্থ মানুষ ধর্ষণ করে না; অসুস্থরা ধর্ষণ না করে পারে না। বাঙালির বিবাহবহির্ভূত যৌনজীবন ছোটো নয়, তারা খোঁজে থাকে এ-সুযোগের; কিন্তু বিবাহিত যৌনজীবনই তার শরীর কামনা পরিতৃপ্তির প্রধানস্থল। এক্ষেত্রে বাঙালি কি তৃপ্ত ? এ-সম্পর্কে কোনো সমীক্ষা পাওয়া যায় না; আলোচনা পাওয়া যায় না কোনো। বাঙালি এ-ক্ষেত্রে পরিতৃপ্ত নয়; শুধু অপরিতৃপ্তই নয়, প্রচন্ড অসুখী।
... বাঙালির যৌনক্ষেত্রে পুরুষ সক্রিয় কর্মী; নারী নিষ্ক্রিয় শয্যামাত্র। পুরুষ নিজের সাময়িক সুখ ছাড়া আর কিছু ভাবে না, সঙ্গিনীও যে সুখী হ’তে চায়, তা জানে না; কখনো জানার কথা ভাবে না। বাঙালি নারীপুরুষ পরিতৃপ্তির সাথে পরস্পরকে উপভোগ করে না। উপভোগের ধারণাও তাদের নেই। যে-প্রশান্তি, স্বাস্থ্য ও নিরুদ্বেগ পরিবেশ প্রয়োজন পরিতৃপ্তির জন্যে, তা নেই অধিকাংশ বাঙালির।
... তাই বাঙালি অনুপ্রাণিত হওয়ার সাথে সাথেই উপসংহারে পৌছে; এটা তার জীবনের সংক্ষিপ্ততম কাজ; যদিও এটা বৃহত্তম কাজ জীবনে। এখানে যে-অপরিতৃপ্তি, তা ঘিরে থাকে বাঙালি সমগ্র জীবন; তাকে রুগ্ন ক’রে রাখে। এ-রুগ্নতার ফল বাঙালির হঠাৎ-জাগা কামনা। বাঙালি নারী দেখলেই তাকে কাম্য বস্তু মনে করে, মনে মনে রমণ করে। এমন যৌনঅসুস্থ জাতি জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে সুস্থ হ’তে পারে না।
- বাঙালির যৌন জীবন এক ট্যাবু : হুমায়ুন আজাদ

Saturday, 8 August 2015

ইঞ্জিনিয়ার এর কান্ড

এক ইঞ্জিনিয়ার
কিছুতেই
চাকরি পেলনা।
তখন সে একটা
ক্লিনিক খুলল আর
বাইরে লিখে দিল,
“৩০০ টাকায় যে কোন
রোগের
চিকিৎসা করান।
চিকিৎসা না হলে এক
হাজার
টাকা ফেরৎ।“
এক ডাক্তার ভাবল
এক হাজার
টাকা রোজকার
করার একটা দারুণ
সুযোগ.....
সে সেই ক্লিনিকে
গেল আর বলল “আমার
কোন জিনিষ
খেতে গেলে তাতে কোন
স্বাদ পাইনা।“
ইঞ্জিনিয়ার নিজের
নার্সকে বলল,
“২২ নাম্বার
বক্স থেকে ওষুধ বার
কর আর ৩ ফোটা
খাইয়ে দাও।“
নার্স খাইয়ে দিল।
রুগী (ডাক্তার)–
“আরে,
এটা তো পেট্রোল।“
ইঞ্জিনিয়ার–
“Congratulation .....
দেখলেন তো আমাদের
ক্লিনিকের কামাল।
আপনি টেস্টটা জিভে
পেয়েগেছেন।
এবার
আমাকে আমার ৩০০
টাকা ফীটা
দিয়েদিন।“ কিন্তু
ডাক্তার ভীষণ চতুর।
ভাবল,
একে টাইট
করতে হবে, আর
পয়সাটাও উসুল
করতে হবে।
তাই আবার কিছুদিন
পর সে সেই
ক্লিনিকে এল।
ডাক্তার– “সাহেব,
আমার
মেমরী কমে গেছে।
কিছুই
মনে থাকেনা।“
ইঞ্জিনিয়ার– “নার্স,
এনাকে সেই
২২
নাম্বার বক্সথেকে ৩
ফোটা দাও।“
রূগী (ডাক্তার)–
“কিন্তু স্যার,
ওটা তো স্বাদ
ফিরে পাওয়ার ওষুধ।“
ইঞ্জিনিয়ার–
“দেখলেন তো ওষুধ
খাওয়ার আগেই আপনার
মেমরী ফিরে
এসেছে।
দিন, আমার
৩০০ টাকা।“
এবার ডাক্তার বেশ
রেগেই
বাড়ি গেল আর আবার
কিছুদিন পর
ক্লিনিকে এসে বলল,
“স্যার, আমার
দৃষ্টিশক্তি
একেবারেই
কমে গেছে।
সবই খুব ঝাপসা
দেখছি।“
ইঞ্জিনিয়ার– “এর
কোন ওষুধ আমার
কাছে নেই। এই নিন,
আপনার ১০০০ টাকা।“
রুগী (ডাক্তার)–
“কিন্তু এটা তো ৫০০
টাকার
নোট।“
ইঞ্জিনিয়ার– “দেখুন,
আপনার দৃষ্টিও
ফেরৎ এসে গেছে। দিন
আমার ৩০০ টাকা।“